( বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক স্কুল কমিটি গঠনের ঘোষণায় দেশে পক্ষে বিপক্ষে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে সিবিএন অভিভাবক , শিক্ষক , ছাত্রছাত্রী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের কাছ থেকে সুচিন্তিত ভাবনাগুলো তুলে ধরার সিদ্ধান্ত নিয়েছে । যা পর্যায়ক্রমে প্রকাশিত হবে । – সম্পাদক , সিবিএন )
স্কুল কমিটি গঠন নিয়ে এবারের সিবিএন ভাবনায় এসেছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কক্সবাজার সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক আহবায়ক নূরেন শামস চৌধুরী । বক্তব্যটি গ্রহণ করেছেন সিবিএন শিক্ষানবিশ রিপোর্টার নুসরাত পাইরিন।
প্রশ্ন:কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ কর্তৃক প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্টানে কমিটি দেওয়ার যে ঘোষণা দিয়েছে এটি আপনি কিভাবে দেখছেন?
নূরেন শামস চৌধুরী : আমি অত্যন্ত খুশি এবং উল্লসিত বোধ করছি। এতো দিন পর হলেও আমাদের তৃণমূল স্কুল ছাত্রলীগ নিয়ে ভাবছে। স্কুল ছাত্রলীগকে গতিশীল করার চিন্তা করছে।
২০১৪ সালে যখন প্রথম শুনি যে আমাদের স্কুলে ছাত্রলীগের কমিটি দিবে। তখন চিন্তা করি স্কুলে আবার কিসের ছাত্রলীগ। কিন্তু আমার ভুল ভাঙ্গতে বেশি সময় লাগে নি। দুই তিন দিন পরেই দেখলাম কিশোর কন্ঠের নামে শিবির আমাদের স্কুলে কমিটি দেয়। নাম কিশোর কন্ঠ। কিন্তু লিফলেট শিবিরের। বই শিবিরের।
তখন চিন্তা করলাম শিবির করতে পারলে আমরা নয় কেন? নাস্তা করানো এবং সার্টিফিকেট দেওয়ার ধান্দা করে ওখানে উপস্থিত সবাইকে একটা করে পদ ধরিয়ে দিয়ে কমিটি দিয়ে দেয়।
আওয়ামী পরিবারের কয়েকজন সন্তানরে নাম ওখানে দেখে ওদের জিজ্ঞেস করি। তারা বলে সাধারণ উপস্থিতি জানার জন্য নাম নিয়ে নাকি কমিটি দিয়ে দেয়।
এর পর আমি আমার স্কুলে ছাত্রলীগের কমিটি করতে আগ্রহী হই। এবং আমাকে আহবায়ক ও ইবনুল আকিব চৌধুরী কে যুগ্ন আহবায়ক করে স্কুল কমিটি ঘোষণা করা হয়। আমরা সরাসরি ছাত্রলীগের নাম নিয়ে জয় বাংলা বলে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করি!
এখন যারা এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা করছে। তারা তখন কেন সমালোচনা করেনি যখন স্কুলে শিবির কমিটি করছিল? শিবিরের নেতারা সারাদিন স্কুলে বসে থাকত এবং ছেলেদের মগজ ধোলাই করত। আমি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করি। হিসেব টা আপনাদের উপরই। ছেলেকে জংগী বানাবেন নাকি রাজনীতি সচেতন করবেন।
আমাদের দেশের স্কুলে বর্তমানে স্কুল কেবিনেট নির্বাচন হচ্ছে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে ছাত্ররা গণতন্ত্র সচেতন হচ্ছে। ছাত্রলীগের স্কুল কমিটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত এই সচেতনতা কে আরেক ধাপ এগিয়ে নিবে বলে আমি মনে করি।
আমি জেলা ছাত্রলীগের বিপ্লবী সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ জয় এবং সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ হোসাইন তানিম এবং শহর ছাত্রলীগ সভাপতি হাসান ইকবাল রিপন ও সাধারণ সম্পাদক শাকিল আজম ভাই কে অনুরোধ করব যেন অতি দ্রত স্কুল ছাত্রলীগের কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য জরুরী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।