ছৈয়দ আহমদ তানশীর উদ্দীন :

বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলা ও সরকারি হাসপাতালে সেবার মান বাড়াতে আরও ৮,৫৩৪ জন নার্স নিয়োগ দেবে সরকার। একইসঙ্গে করোনাকালে জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় আলাদা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে প্রাথমিক বাছাই করা প্রার্থীদের থেকে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

আজ বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) এসসি ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একাধিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সূত্রে জানা যায়, দেশে করোনা পরিস্থিতির অবনকি হওয়ায় সরকার নতুন করে নার্স নিয়োগের কথা ভাবছে। এরই অংশ হিসেবে সরকার পিএসসিকে আবেদনকৃত প্রার্থীদের মধ্য থেকে ৮ হাজার ৫৩৪ জন নার্স নিয়োগের চাহিদাপত্র পাঠিয়েছে। গতকাল বুধবার সেই চাহিদাপত্র পিএসসিতে এসেছে।

এ বিষয়ে পিএসসি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসাইন গণমাধ্যমকে বলেন, করোনাকালে নার্স ও চিকিৎসক নিয়োগে সরকারের বিশেষ তাগিদ রয়েছে। এ জন্য আমরা এটিকে সবোর্চ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছি। সরকার যতজন নার্স নিয়োগ করতে চাইবে, পিএসসির কাছে যদি সে পরিমাণ যোগ্য প্রার্থী থাকে, তাহলে নিয়োগ দিতে কোনো সমস্যা নেই।

এর আগে গত বছরের এক মার্চ এক বিজ্ঞপ্তিতে সিনিয়র স্টাফ নার্সে পদের সংখ্যা দুই হাজার ৫০০ জন নার্স নিয়োগের কথা জানানো হয়ে। পরে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির অবনতি হলে সেই বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করা প্রার্থীদের মধ্য থেকে চার হাজার নার্স নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

পরে গত ২৮ জানুয়ারি সিনিয়র স্টাফ নার্স পদের এমসিকিউ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন বেলা তিনটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত রাজধানীর ২১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি এমসিকিউয়ের ফল প্রকাশ করে পিএসসি। এরপর গত ১০ এপ্রিল লিখিত পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করে পিএসসি। তবে করোনোভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় এ লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করেছিল পিএসসি। সেই পরীক্ষার পুনর্নির্ধারিত সূচি প্রকাশ করে পিএসসি। এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৫ হাজার ২২৮ জন প্রার্থীর লিখিত পরীক্ষা হয়েছে গেল মাসে। তারপর লিখিত পরীক্ষার উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা মৌখিক পরীক্ষা অংশগ্রহণ করার কথা।