নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের অনন্য দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নুরুল কুরআন আদর্শ হিফয মাদরাসার শবিনা খতম ও হিফয সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
শবিনা (একটানা ৩০ পারা কুরআন তিলাওয়াত শোনানো) সমাপ্ত করেছেন ১৪ জন শিক্ষার্থী।
তারা হলেন, আবরার বিন জাফর, আহমদ ওমর, আমির মোঃ রশিদ নাইম, রাইয়ান সিকদার, অলিউর রহমান ফাহিম, হুজ্জাতুল কবির জাকি, সোহাইলুল ইসলাম, আরফাতুর রহমান, মীর মোহাম্মদ আকিফ, মোহাম্মদ, রাফিজুল হক আলভী, রমজান আলী, হানি মোহাম্মদ সুরাইম ও ইয়াহিয়া নূর।
হিফয সম্পন্ন করেছেন ১৫ জন। তারা হলেন, তাওসিফুল আরেফীন ত্বোহা, জিহাদ নূর, কাজি হাসান, সাইম সিদ্দিক, আবদুল্লাহ, কেফায়েত উল্লাহ, মিশকাতুর রহমান সাঈদ, জাহেদুল ইসলাম রাজু, আদিল নাঈম, হাসনাতুল কবির জুনায়েদ, আদিয়াত, হাম্মদ তামিম, মারওয়ান মিজান, আব্দুল্লাহ সাবিত ও হাসানুল হুদা।
১৯ ডিসেম্বর বিকালে শহরের উত্তর তারাবনিয়ার ছড়া আহাদ ম্যানসনস্থ মাদরাসা ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সদরের ভারুয়াখালী দারুল উলুম আলিম মাদ্রাসার সাবেক সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা হাফেজ আবু বকর।
মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাফেজ মাওলানা জাফর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ভারুয়াখালী বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা জসিম উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে মাওলানা মুফতি শফিকুর রহমান, মাওলানা হাফেজ হাফেজ আহমদ, মাওলানা হাফেজ সাজেদুর রহমান, মাওলানা হাফেজ ক্বারী জুবায়ের, মাওলানা হাফেজ আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাওলানা হাফেজ নুরুল আমিন, মাওলানা হাফেজ এরশাদুল্লাহসহ আলেম-ওলামা ও অভিভাবক ও মান্যগণ্য ব্যক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ১৮ ডিসেম্বর সকাল ৯ টা থেকে শবিনা খতম শুরু হয়। পরের দিন ১৯ ডিসেম্বর দুপুর ২টায় ৩০ পারা কোরআন তেলাওয়াত শুনানো সমাপ্ত হয়।
শবিনা খতমকারী কুরআনের পাখিদের আগামী ২১ ডিসেম্বর সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ প্রদান করা হবে। অভিভাবকদের সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হবে। হিফয সম্পন্নকারীদের প্রদান করা হবে পাগড়ী।